Recents in Beach

পাহাড়ে শান্তি ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় জায়গায় সেনাক্যাম্প স্থাপনের দাবী



পাহাড়ে সম্প্রীতি বিনষ্টকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারপূর্বক বান্দরবান জেলার রাজবিলা এলাকায় থাইংখালিতে সেনাক্যাম্প স্থাপন ও চাথোয়াই মং কে হত্যার প্রতিবাদে বান্দরবান প্রেসক্লাব চত্বরে এক বিশাল মানববন্ধন করেছে সামাজিক সংগঠন সচেতন পার্বত্যবাসী। আজ ২৬ মে (রবিবার) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। জেএসএস সন্তু লারমা গ্রুপের অত্যাচার ও সন্ত্রাসী হামলার শিকার উপজাতি-বাংগালী সকল সম্প্রদায়ের ভূক্তভোগীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশগ্রহণ করেন
   
পার্বত্য বাংগালী ছাত্র পরিষদের বান্দরবান জেলার সভাপতি মো: মিজানুর রহমান আখন্দ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য নাগরিক পরিষদের বান্দরবান জেলার সাধারণত সম্পাদক জনাব এ্যাড. আবু তালেব। বিশেষ অতিথি ছিলেন জনাব মোঃ রেজাউল করিম।
বক্তারা বলেন, সম্প্রতি পাহাড়ে গুম, খুন, অপহরণ মহামারী আকার ধারন করেছে এই হত্যাকাণ্ড নিরসনে বিপদজনক জায়গায় সেনাক্যাম্প স্থাপন করতে হবে। সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারপূর্বক বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে বলেও তারা দাবী করেন
উল্লেখ্য যে, গত ২২ মে (বুধবার) রাত ৯ টায় কয়েকজন উপজাতি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বান্দরবান পৌর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি চাথোয়াই মং মারমা কে তার খামার বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় এবং শনিবার (২৫ মে) দুপুরে সদর উপজেলার ইউনিয়নের জর্দানপাড়ার গহীন জঙ্গল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এদিকে আজ রবিবার (২৬ মে) সকাল থেকে জেলা আওয়ামীলীগসহ সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা বান্দরবান শহরের ট্রাফিক মোড়, বাস স্ট্যান্ড, ও বান্দরবান-কেরানীহাট প্রধান সড়কের সুয়ালকসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে সড়কে গাছ-সাইনবোর্ড ফেলে যানবাহন চলাচলের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে অর্ধ দিবস হরতাল পালন করছে।
প্রসঙ্গত আরো উল্লেখ্য যে, অপহরণের পর খুন হওয়া সাবেক পৌর কাউন্সিলর ও আওয়ামীলীগ নেতা চাথোয়াই মং মারমা’র লাশ উদ্ধারের পর হত্যাকারীকে আটক এর উদ্দেশ্যে ব্যাপক অভিযান শুরু হয়েছে। খুনের ঘটনায় জড়িত থাকায় এ পর্যন্ত জেএসএস সন্তু লারমা গ্রুপের ৫ জন নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- জেএসএস সন্তু লারমা গ্রুপের কেন্দ্রীয় নেতা, সাংগঠনিক সম্পাদক ও আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কেএস মং মারমা, বান্দরবান জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও রোয়াংছড়ি উপজেলা পরিষদের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ক্যাবা মং মারমা, হেডম্যান থৈলা প্রু মারমা, জর্দান পাড়ার কারবারি মংহ্লাপ্রু ত্রিপুরা। গতকাল (শনিবার) বান্দরবানের বিভিন্ন জায়গা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ