Recents in Beach

উগ্রপন্থী মাতাল স্বামীর চেয়ে দিন মজুর বাঙালীদের স্বামী হিসেবে পেতে অধিক আগ্রহী চাকমা নারীরা


আবু উবাইদাঃ

মাতাল, মাদকাসক্ত, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী স্বামীকে কোন ভদ্র, সুস্থ নারী পছন্দ করতে পারেনা। পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতীয়, বিশেষ করে চাকমা নারীরা উগ্রপন্থী মাতাল স্বামীর চেয়ে দিন মজুর বাঙালীদের স্বামী হিসেবে পেতে অধিক আগ্রহী। যদি সন্ত্রাসীদের বাঁধা আর বাধ্যবাধকতা না থাকতো তবে হয়তো উপজাতীয় নারীরা উপজাতিদের বিয়েই করতেন না। আসলেই এটা চিরন্তন বাস্তব সত্য যে পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় নারীরা নির্যাতিত। নারীদের অধিকার আদায়ে যারা সংগ্রাম করছেন তারাসহ কথিত মানবাধিকার কর্মীরা এই বিষয়টাকে বরাবরই এড়িয়ে গিয়ে পার্বত্য বাঙালি পরিশুদ্ধির মন্ত্র পড়ছেন। অথচ সামাজিক, পারিবারিক তথা সামগ্রিকভাবে উপজাতিদের অপসংস্কৃতি উপজাতীয় নারীদের পুরুষ কর্তৃক আজীবন নির্যাতিত রেখে আসছে। একজন নারী সকালে ঘুম থেকে উঠে পারিবারিক কাজ করবেন এটা স্বাভাবিক। কিন্তু উপজাতীয় নারীদের শুধু গৃহস্থালী কাজ নয়, বরং পরিবারের কৃষি কাজের প্রধান দায়িত্ব নিতে হয়। দিনরাত পরিশ্রম করে উপজাতীয় নারীরাই সংসারটাকে আগলে রাখে। যেখানে পুরুষেরা বিভিন্ন আমোদ প্রমোদ, জুয়া, মদের আড্ডায় ব্যস্ত থেকে দিন কাটায়। নারীরা আবার কাজ না করলে স্বামীর হাতে শাস্তি যা হবার তাই হয়। অর্থাৎ উপজাতীয় পুরুষদের মনোরঞ্জন করাই একজন উপজাতি নারীর প্রধান কাজ।

এটাতো গেলো সামাজিক ক্ষেত্রে। এবার শুনুন নারীদের আরেক করুন কাহিনী। আমরা সবাই উপজাতীয় সন্ত্রাসী সংগঠনের নির্যাতনের বিভিন্ন প্রতিবেদন, কাহিনী শুনেছি। কিন্তু নারী নির্যাতনের কাহিনী কখনো এভাবে শুনিনি, কোন মিডিয়াও বলেনি। উপজাতিদের প্রতিটি পাড়ায় উপজাতীয় সন্ত্রাসী বাহিনী ঠিক প্রশাসনের লোকদের মতো আছে। তাদের দৃষ্টি যদি কোন নারীর উপর পড়ে তবে সেই নারীর আর রেহাই নেই। হোক সে সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তির নারী, তাতে কি! এভাবেই প্রতিনিয়ত সন্ত্রাসীদের দ্বারা শত উপজাতি নারী নির্যাতিত হচ্ছে। তাদের প্রতিবাদ করার বিন্দুমাত্র সাহস নেই কারো। আমি নিজে দেখেছি আমার কলেজ পড়ুয়া বান্ধবী, ছোট বোনতুল্য উপজাতি নারীদের পাহাড় ছেড়ে, বাবা- মা ছেড়ে দিনের পর দিন শহরে পড়ে থাকতে। এই নারীরা নিজ এলাকায় গিয়ে সন্ত্রাসীদের ভোগ্যপণ্যে পরিনত হওয়ার চেয়ে শহরে পড়ে থাকাটা নিরাপদ মনে করে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ