Recents in Beach

সরকারি সুবিধা ভোগ করেও চরমভাবে রাষ্ট্র অবমাননা করছেন সন্তু লারমা


ইনি হলেন সন্তু লারমা। যিনি শহীদ মিনারে যান না এবং যার বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই। কারো চোখে তিনি হিরো, গেরিলা নেতা। আবার কারো চোখে স্রেফ স্বৈরাচারী, খুনি, সন্ত্রাসী এবং উপজাতি জংগীদের মদদদাতা। তবে শান্তিচুক্তির সুফল ভোগ করে তিনি এখন প্রতিমন্ত্রীর পদ মর্যাদায় পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান। এছাড়াও আর্থিকসহ রাষ্ট্রীয় অন্য সকল সুযোগ-সুবিধাও তিনি ভোগ করে চলেছেন।
শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর এবং আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি শপথ নিয়েছিলেন যে, তিনি বাংলাদেশের প্রতি অকৃত্রিম বিশ্বাস ও আনুগত্য পোষণ করিবেন। অথচ সেই তিনিই বাংলাদেশকে ভেংগে আলাদা দেশ গঠন করার দুঃসাহস দেখাচ্ছেন।
শান্তিচুক্তির ঘ খন্ডের অনুচ্ছেদ ১২ অনুযায়ী সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতি তথা শান্তিবাহিনীর সকল অস্ত্র সরকারের নিকট জমা দেয়ার কথা থাকলেও তিনি সেটা মানেননি। বরংচ দিন দিন অস্ত্রের মজুদ বাড়িয়ে নিজেই শান্তিচুক্তি ভংগ করছেন সন্তু লারমা। সন্তু লারমার নিজের মুখেই শুনুন...

স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকাবাহী দামী গাড়ি ব্যবহার করছেন তিনি। সঙ্গে থাকে পুলিশী নিরাপত্তা। বিপদে পড়লে সেনাবাহিনীর সহায়তাও নেন উনি। কিন্তু কোন জাতীয় দিবসে তিনি শহীদ মিনারে যান না। যান না স্মৃতি সৌধে। নিজে ভোটার হননি। নেননি বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয় পত্র। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে তার এহেন মনোভাব রাষ্ট্রের প্রতি চরম অবমাননার শামিল নয় কি?
বর্তমানে বাংলাদেশে যে কোন চাকুরী পেতে হলে জাতীয় পরিচয়পত্র লাগে। এমনকি একটি মোবাইল সীম কিনতে গেলেও জাতীয় পরিচয়পত্র লাগে। সেখানে জাতীয় পরিচয়পত্রহীন সন্তু লারমা কিভাবে একজন প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেল? কিভাবে ভিসা পাসপোর্ট পেল? ব্যাংক একাউন্ট কিভাবে খুলেছেন? কিভাবে মোবাইল সীম কিনেছেন? বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র বিহীন এই সন্তু লারমা কিভাবে চিকিৎসার নামে ভারতে যায়?
যেই লোক শহীদ মিনারে যাওয়ার প্রয়োজন বোধ করেনা। যিনি বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণ করেননি তাকে কি বলবেন?  গোলাম আযম-নিযামীরাও শহীদ মিনারে যেত না। সন্তু লারমাও যায় না। তাহলে তাকে কি বলবেন আপনারা? সে বিচারের ভার আপনাদের উপর ছেড়ে দিলাম।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ